ঐতিহ্যের অনুরণন

সুপ্রতিক মিত্র : 1886 সালের আজকের দিনটিতেই এই ধরাধামের লীলা সংবরণ করে অবিনশ্বরতার পথে যাত্রা করেছিলেন সবার প্রাণের ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ দেব। আজ তাঁর তিরোধান দিবস। আজ তাঁর চরণে কৃতঞ্জলি পুটে প্রার্থনা করি সবার মঙ্গল হোক। ভক্তিপূর্ণ হৃদয়ে স্মরণ করি তাঁর বাণী,,,,,,,,,,

“খানদানি চাষা যেমন বারো বছর অনাবৃষ্টি হলেও চাষ করতে ছাড়ে না, তোমরাও তেমনই ভক্তি ও বিশ্বাস নিয়ে তাঁর নাম করে যাও।”

‘খানদানি চাষা’ এই উপমার দ্বারা ঠাকুর শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ সাধন মার্গে বিশ্বাস ও ধৈর্যের গুরুত্ব সুন্দরভাবে বুঝিয়েছেন। মানুষ কিছুকাল সাধন ভজন করেই ধৈর্য হারিয়ে ফেলে এবং ‘ কোনো উন্নতিই হলো না’ এই ভেবে হতাশ হয়ে যায়। সেকারণেই ঠাকুর বলেছেন, ‘ তাঁর উপর নির্ভর করে থাকতে হয়। তিনি যখন সময় হবে দেখা দেবেন।’
একটি প্রচলিত হিন্দি প্রবাদ আছে, ‘গুরু কে দ্বার মে কুত্তা কে মাফিক পড়ে রহ।’ রামায়ণের শবরী হল ধৈর্য ও বিশ্বাসের জ্বলন্ত প্রতিমূর্তি। সারা জীবন রামের জন্য প্রতীক্ষার পরে জীবনের অন্তিম ক্ষণে এলেন রাম। কাজেই ধৈর্যহারা হলে চলবে না। বরং প্রভুপদে পূর্ণ ভক্তি এবং নিষ্ঠা সহকারে সাধন পথে অগ্রসর হতে হবে। জয় প্রভু শ্রীরামকৃষ্ণ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।