শিক্ষিকার ফেয়ারওয়েল অনুষ্ঠান

সুজয় মজুমদার : বীরভূম জেলার দুবরাজপুর চক্রের অন্তর্গত পন্ডিতপুর কাশীদাস নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা আগমণী দেবাংশী সাহা দীর্ঘ 37 বছর শিক্ষিকার আসন অলংকৃত করার পর কর্ম থেকে অবসর গ্রহণ করেন। শিক্ষক কুলে জন্ম ও শিক্ষক কুলের গৃহবধূ তিনি নিজেও পেশায় ছিলেন শিক্ষিকা।1983 সালে বীরভূম জেলার লক্ষণডিহি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর শিক্ষিকা জীবনের সূচনা ঘটে।এর কিছুদিন পর তিনি পন্ডিত্পুর কাশিদাস নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ে বদলি হন এবং এই স্কুলেই তিনি তাঁর কর্ম জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বহাল থেকেছেন। আজ তাঁর বিদায় সম্ভাষণ অনুষ্ঠানে এসে তিনি আবেগ ঘন হয়ে পড়েন । দীর্ঘ দিন একই স্খুলে থাকার জন্য তাঁর স্কুলের প্রতি টান ছিলো প্রবল। আবার বিদায়ী ভাষণে তিনি তাঁর তিনি তাঁর আক্ষেপও ব্যক্ত করেছেন আইনের মারপ্যাঁচে তাঁর প্রধান শিক্ষিকা না হওয়ার। যদিও তিনি ছিলেন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষিকা। পরবর্তী দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন ওই স্কুলেরই শিক্ষক প্রিয়ব্রত ওঝা মহাশয়।
বিদায় সম্ভাষণ অনুষ্ঠানে দুবরাজপুর চক্রের বালিজুড়ি অঞ্চলের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষক- শিক্ষিকা গন, শিক্ষাবন্ধু , এস আই অফিসের প্রতিনিধি, গ্রামবাসী ও সর্বোপরি আই স্কুলের ছাত্র- ছাত্রী ও প্রক্তন ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। ওই স্কুলের ছাত্র – ছাত্রীরা গান,নাচ ও কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে তাদের প্রিয় শিক্ষিকাকে বিদায় শুভেচ্ছা জানাই ।এর পর আগমণী দেবাংশী সাহা মহাশয়ার হাতে স্কুলের পক্ষ থেকে ও দুবরাজপুর চক্র থেকে স্মারকলিপি তুলে দেওয়া হয় , তুলে দেওয়া হয় বিভিন্ন উপহার সামগ্রী। স্কুলের পক্ষ থেকে দেওয়া মান পত্রটি পাঠ করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক প্রিয়ব্রত ওঝা মহাশয়। বিদায়ী ভাষণে বিদায়ী শিক্ষিকা সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে স্কুলের উন্নতি কল্পে একটি কম্পিউটার কেনার জন্য নগদ দশ হাজার টাকা স্কুলের সকল শিক্ষকদের হাতে তুলে দেন।
বীরভূম থেকে সুজয় মজুমদার।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।