শিলিগুড়ির জনসভায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদনঃ প্রথমবার রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে বুধবার শিলিগুড়িতে সভা করছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বাংলায় টুইটের পর এদিন শিলিগুড়িতে বাংলাতেই বক্তৃতা শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। বক্তব্যের শুরু থেকেই চাঁচাছোলা ভাষায় তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে আক্রমণ করতে শুরু করেন মোদী।

এদিন মোদী বক্তব্য রাখার শুরু থেকেই ‘মোদী, মোদী’ রবে ফেটে পড়েন কর্মী, সমর্থকরা। ভাষণ থামিয়ে মোদীকে বলতে শোনা যায়, “আপনাদের ভালোবাসায় আমি অভিভূত। কিছু বলার মত ভাষা খুঁজে পাচ্ছি না।” এই ‘ভালোবাসা’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ঘুম কেড়ে নিয়েছে’ বলে দাবি করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জনসমুদ্র কাকে বলে? তা এখানে এলে বোঝা যাবে। এই জনসমুদ্র না দেখলে বুঝতেই পারতাম না, দিদির নৌকা ডুবেছে।”

শিলিগুড়ির সভা থেকে নরেন্দ্র মোদী এদিন তোপ দাগেন, গত ৫ বছরে সারা দেশের যতটা অগ্রগতি হয়েছে। বাংলায় তা হয়নি। যে গতিতে দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে কাজ হয়েছে, তা বাংলায় হয়নি। এরপরই মোদী বলেন, পশ্চিমবঙ্গে অগ্রগতি না হওয়ার কারণ, এখানে একজন ‘স্পিড ব্রেকার’ আছে। যাকে বাংলার মানুষ ‘দিদি’ বলে চেনে।

প্রধানমন্ত্রী দাবি করেন, “দিদির গরিবদের জন্য চিন্তা নেই। গরিবি নিয়ে তিনি রাজনীতি করছেন। গরিবি শেষ হয়ে গেলে, রাজনীতিও শেষ হয়ে যাবে। তাই এনাদের গরিবি চাই। গরিবদের গরিব রাখাতেই এদের রাজনৈতিক ফায়দা।”

গরিবদের চিটফান্ডের টাকা ‘দিদির সঙ্গীরা’ লুঠেছেন বলে তোপ দাগেন তিনি। দাবি করেন, ৭০ লাখের বেশি কৃষক পরিবারের উন্নতিতে ‘ব্রেক লাগিয়ে’ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

“গরিবদের স্বাস্থ্যের জন্য বিজেপি সরকার আয়ুষ্মান ভারত যোজনা সূচনা করেছিল। যেখানে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসা হবে, একটাকাও হাসপাতালে খরচা করতে হবে না। কিন্তু, স্পিড ব্রেকার দিদি পশ্চিমবঙ্গে ব্রেক লাগিয়ে দিয়েছে।”


মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

five + two =